কাগজবিহীন বইয়ের ভুবনে

প্রযুক্তি বদলে দিয়েছে বই প্রকাশের ধরনও। এখন নতুন বই মানে কেবল কাগজে সদ্য ছাপা কাঁচা কালির গন্ধ নয়। সরাসরি ইন্টারনেটেই প্রকাশ হচ্ছে অনেক ‘ই-বুক’। আবার ‘স্বত্ব’ মেনে, না মেনেও অনেক বইয়ের ‘স্ক্যান’ কপি পাওয়া যাচ্ছে অনলাইনে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন আল-আমিন কবির এবং হাবিবুর রহমান তারেক
যত দূর জানা যায়, ১৪৪০ সালে গুটেনবার্গের ছাপাখানায় প্রথম বই ছাপা হয়েছিল। নিত্যনতুন প্রযুক্তির ছোঁয়া পেয়েছে এ ছাপাখানাও। তবে না ছেপেও যে বই প্রকাশ করা যায়, তা দেখতে হলে ঢু মারতে হবে অনলাইন ভুবনে। পিডিএফ, ওয়ার্ড, ইমেজ এবং ইলেকট্রনিক রিডার ফরম্যাটে এখন হরহামেশাই মিলছে অজস্র বই। উন্নত দেশগুলোতে তাই ছাপা বইয়ের জনপ্রিয়তাকেও ছাপিয়ে গেছে এসব ‘ই-বুক’।
ওয়েবে বাংলা বই
অনলাইনজুড়ে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত বইয়ের ‘ই’ সংস্করণ বা ই-বুকের তুলনায় বাংলা ই-বুক যে পিছিয়ে নেই- তা বোঝা যাবে ওয়েবে চোখ রাখলেই। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের অনেক সাইট ‘ই-বুক’ দিয়ে সাজিয়েছে তাদের ওয়েব পেজ। ওয়েবের পাঠকরা বিনা মূল্যেই পড়তে বা সংগ্রহ করতে পারেন এসব বই। অধিকাংশ ওয়েবসাইট লেখক অথবা প্রকাশকের অনুমতি না নিয়েই প্রকাশ করে দিয়েছে বইগুলো। তবে এ নিয়ে লেখকদেরও কখনো কোনো উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়নি।
বিনা মূল্যে বাংলা বই ডাউনলোড করা যায় এমন একটি সাইট www.banglabook.tk। এখানে জনপ্রিয় লেখকদের লেখা সাত শতাধিক বাংলা বইয়ের পিডিএফ সংস্করণ রয়েছে। বিনা মূল্যে সংগ্রহ করা যায় এমন আরো একটি বই ডাউনলোডের ওয়েবসাইট ‘দেশি বই’। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বিখ্যাত লেখকদের বইয়ের অনলাইন সংস্করণ মিলবে এ সাইটে। বইয়ের আরেক সাইট www.deshiboi.com-এ গল্প-কবিতার বইয়ের পাশাপাশি পাঠকরা পাবেন কম্পিউটার ও ধর্মীয় বইয়ের সংগ্রহ। www.banglaeye.com/ebook-এর ‘ই-বুক’ অংশে রয়েছে জনপ্রিয় বাংলা বইয়ের সংগ্রহ। পাঠকরা পিডিএফ আকারের বইগুলো পড়তে ও সংগ্রহ করতে পারবেন। এ অংশের বইগুলো সাজানো হয়েছে ১৯৭১, নিবন্ধ, নোভেল, কবিতা, ইসলামী বই, কমিঙ্, কার্টুন নামের বিভিন্ন বিভাগে। এ ছাড়া মাসুদ রানা সিরিজের বেশ কিছু বইও পাওয়া যাবে এ সাইটের ‘সেবা প্রকাশনী’ অংশে।
সময় প্রকাশনের ওয়েবসাইটwww.somoy.com-এর ডাউনলোড বিভাগে পিডিএফ ও ওয়ার্ড ফাইল (.doc) আকারে আলোচিত কিছু বই রয়েছে।
banglaadda.com দুই বাংলার কবি-লেখকদের বিপুল সংখ্যক ই-বইয়ের সংগ্রহের মাধ্যমে অনলাইনে বই পড়ার পক্ষে তাদের অবস্থান জানান দিয়েছে। http://banglaadda.chapso.de/bangla-e-books-s225724.html লিংকে ভিজিট করলেই পাওয়া যাবে বাংলা বইয়ের এ অনলাইন সংস্করণগুলো।
‘আমরা বাঙালি… মহান এক জাতিসত্তার উত্তরাধিকারী’_নিজেদের সাইটের পরিচিতিতে এভাবেই শুরু করেছে rashal.com সাইটটি। বাংলা উপন্যাস, কবিতা, গল্প, নাটক, প্রবন্ধের বিশাল ই-বুকের আয়োজন দেখলেই পাঠকরা বুঝতে পারবেন_বাঙালির সাহিত্যচর্চার উপযোগী কত বড় সংগ্রহ এ সাইটে। এ ছাড়া www.shabdaguchha.com, www.banglakitab.com, www.uplbooks.com, www.doridro.com, www.arshi.org, www.murchona.com, www.barnamala.org, www.gronthamela.com এবং www.banglakitab.com সাইট থেকেও বিনা মূল্যে বই ডাউনলোড করার সুবিধা রয়েছে।
পাঠক বেশি, তাই…
অনলাইনে বই প্রকাশ করে দিচ্ছে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন লেখকরা। ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ যা করছে সেটি আইন অনুযায়ী অবৈধ। তবে এ ব্যাপারে কেউ এখনো কোনো অভিযোগ করেননি। কোনো ব্যবস্থাও নেয়নি বিষয়টির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কপিরাইট অফিস। অনলাইনে বই ডাউনলোডের অন্যতম জনপ্রিয় সাইট www.banglabook.tk-এর প্রতিষ্ঠাতা হারুন অর রশীদ কালের কণ্ঠকে জানান, বেশ কয়েকটি সাইটেই বাংলা বই ডাউনলোডের সুবিধা রয়েছে। আর সাইটগুলোতে ভিজিটরের সংখ্যাও রয়েছে প্রচুর। এ কারণেই বাংলা বই ডাউনলোডের ওয়েবসাইট তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছি। বইয়ের অবৈধ ডিজিটাল কপি তৈরি করা তো অপরাধ, তার পরও এমনটি কেন করছেন_এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষ তো কপিরাইট সম্পর্কে এখনো তেমন সচেতন নয়। আর সফটওয়্যার ক্র্যাক করে যখন সবাই ব্যবহার করছে, কপিরাইট আইন ভঙ্গ করছে_সেখানে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার। অন্তত বিনা টাকায় বই নিয়ে বই পড়ার সুযোগ তো সাধারণ মানুষ পাচ্ছে। যারা বইবিমুখ তারাও বই পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। লেখকরাও বেশি বেশি পাঠক পাচ্ছেন।’
অনলাইনে বই প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে লেখকরাও তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে নন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক লেখক জানান, হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া এমনিতেই প্রকাশকদের কাছ থেকে কোনো রয়্যালটি পান না লেখকরা। তাই বই বেশি বিক্রি হলেও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন না সব লেখক। এ ক্ষেত্রে অনলাইনে প্রকাশ হওয়ায় ওই লেখকের আরো পাঠক তৈরি হচ্ছে, জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারই বা প্রশ্ন আসবে কেন?
অনলাইনে বই বিক্রি
প্রযুক্তির উৎকর্ষে ছাপাখানার সেই বই অনলাইনেও চলে আসে একসময়। ছাপা বই কেনার মাধ্যমে পাঠকরা যেমন লেখকের মেধাস্বত্বের মূল্য দেয়, তেমনি অনলাইনে পিডিএফ ফাইল কেনার মাধ্যমেও এখন লেখকের মেধাস্বত্বের মূল্যায়ন দিচ্ছেন। অনলাইনে বর্তমানে পিডিএফ ফাইল কেনার পাশাপাশি ই-কমার্স সাইটগুলোর মাধ্যমে মূল বইও কেনার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অনলাইনে বিপুল পরিমাণ ইংরেজি বই কেনার পাশাপাশি বর্তমানে বাংলা বই কেনার সুযোগও রয়েছে জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট www.amazon.com এ। http://bookbazaar.hostedbyamazon.com ঠিকানা থেকে বাংলাদেশি লেখকদের বাংলা বই কিনতে পারবেন যে কেউ। সাইটটিতে বিভিন্ন ম্যাগাজিন, নাটক ও উপন্যাসের বই, বিজ্ঞান ও বাচ্চাদের বইসহ বিপুল পরিমাণ বই রয়েছে। সাইটটিতে দেড় হাজারের মতো বাংলা বই রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। www.bengalibooksonline.com, www.boi-mela.com, www.calcuttaweb.com, www.boimela.in, www.hutbazar.com এবং www.myferiwala.com ছাড়াও বেশ কয়েকটি সাইট অনলাইনে বই বিক্রি করছে। অনলাইন এ সাইটগুলোতে বিক্রি হওয়া বইয়ের সংখ্যাও নিতান্ত কম নয়। দেশি গ্রাহক ছাড়াও বিদেশি বেশির ভাগ গ্রাহকই ইন্টারনেটের মাধ্যমে এসব বই কিনে থাকেন। সে ক্ষেত্রে ই-কমার্স সাইটগুলোই বই পেঁৗছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে। অধিকাংশ সাইটই বাংলাদেশ থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ ছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক বেশ কয়েকটি সাইটও অনলাইনে বই বিক্রির ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। www.boimela.in এদের মধ্যে অন্যতম একটি সাইট। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী সুব্রত কুণ্ডু কালের কণ্ঠকে জানান বাংলা বই বিক্রির ক্ষেত্রে অনলাইন সাইটগুলোর ভূমিকার কথা। তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা বই সংগ্রহের জন্য মূলত ই-কমার্স সাইটগুলোর ওপর নির্ভরশীল থাকে। বছরে আমাদের সাইটের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ হাজার বইয়ের অর্ডার পেয়ে থাকি। অধিকাংশ বইয়ের অর্ডারই আসে দেশের বাইরে থেকে।’ ভিসা এবং মাস্টার ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও পেপাল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন থেকে এসব বই কেনা যায় বলে জানান সুব্রত কুণ্ডু।
ওয়েবে বাংলা সাময়ীকি
প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সাহিত্যামোদীরা ইদানীং বাংলা সাহিত্যচর্চার অনেক কিছুই করছেন ওয়েবে। বাংলায় সমৃদ্ধ এসব ওয়েবকে সাহিত্যচর্চার ‘স্কুলঘর’ বললেও ভুল হবে না। টেঙ্টের পাশাপাশি পিডিএফ আকার বা ফরমেটে পড়া ও সংগ্রহ করারও সুযোগ আছে কিছু সাইটে।
অনলাইনে বাংলা সাহিত্যে বেশ সমৃদ্ধ বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকমের ‘আর্টস’। আর্টসের ওয়েবসাইটে (arts.bdnews24.com) অগ্রন্থিত রচনা, কথাসাহিত্য, অনুবাদ (কবিতা ও গল্প), কবিতা, গল্প, উপন্যাস, জীবনী, জার্নাল, ছোট কাগজ, চিত্রনাট্য, গ্রন্থ-সংক্ষেপ, পত্রসাহিত্য, তত্ত্ব, দর্শন, প্রবন্ধ, সাক্ষাৎকার, সাম্প্রতিক পাঠ ও সাহিত্য সংবাদ ছাড়াও আছে অনেক বিভাগ। সাইটটির ‘ই-লাইব্রেরি’ সহজেই পাঠকরা পিডিএফ আকারের বাংলা ‘ই-বুক’-এ নামিয়ে পড়তে পারবেন।
আরেকটি সাইট www.samowiki.com সাজানো হয়েছে বুক রিভিউ, মুভি রিভিউ, ইভেন্ট, সাক্ষাৎকার, সাহিত্য, অনুবাদ, আর্ট, ই-বুক, খবর এবং হ-য-ব-র-ল বিভাগ দিয়ে। ‘সাহিত্য’ অংশে আছে প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, জার্নাল ও উপন্যাস। সাময়িকীর সব বিভাগই তথ্যসমৃদ্ধ। এ ছাড়া ‘ই-বুক’ বিভাগে পাঠকরা পাবেন ফিকশন, নন-ফিকশন এবং কবিতার বই।
নতুন ধারার ওয়েবসাইট notundhara.com থেকে পড়া যাবে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও নবীন লেখকদের উপন্যাস, গল্প, কিশোর গল্প, দর্শন, গদ্য, ইতিহাস, আলোচনা, সাক্ষাৎকার, কবিতা ও ছড়া। পাঠকরা চাইলে প্রতিক্রিয়াও জানাতে পারবেন সাইটটিতে।
এ ছাড়া আছে আরো কিছু সাইট-www.nazrul.org, www.bangladeshinovels.com, www.banglamati.net, sonalisakal.com।
নবীন কবি-লেখকদের জন্য নতুন একটি ওয়েবসাইট আত্মপ্রকাশ করেছে ‘গল্প-কবিতা’ নামে, পড়তে চাইলে চোখ রাখুন এ ওয়েবে- www.golpokobita.com
পিডিএফ বই প্রকাশনার উৎসব
বই প্রকাশনার উৎসব মানেই ছাপার অক্ষরে বাজারে আসা নতুন বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। কয়েক বছর আগেও প্রকাশনা উৎসবের অর্থটা ছিল এমনই। তবে এখন ছাপা হওয়া বইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন পিডিএফ বইও প্রকাশ করছে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ। ‘অপরবাস্তব’ নামে প্রথম শুধু পিডিএফ বই প্রকাশ করে সামহোয়্যারইন ব্লগ কর্তৃপক্ষ। ২০০৭ সালে ‘অপরবাস্তব-১’ প্রকাশিত হয়। এখন প্রায় প্রতিটি ব্লগসাইটই নিয়মিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে পিডিএফ বই প্রকাশ করে থাকে।
অনলাইনে বাড়ছে লেখালেখি চর্চা
ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইনে লেখালেখির চর্চা বেশি দিন শুরু হয়নি। এই তো ২০০৫ সালে ‘সামহোয়ারইন ব্লগ’ প্রথম সুযোগ করে দেয় বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে ইন্টারনেটে বাংলায় লেখার সুযোগ। আর এ সুযোগ ব্যবহার করে বাংলাদেশে সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে একটি বিপ্লব ঘটে যাচ্ছে। মূলধারার লেখকদের সঙ্গে এখন পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন অনলাইন লেখকরাও। প্রিন্ট মিডিয়ায় লেখালেখির সঙ্গে অনলাইন মাধ্যমে লেখালেখির মূল পার্থক্য হলো_এখানে কোনো সম্পাদকীয় শাসন নেই, ফলে যে কেউ যেকোনো ধরনের লেখা প্রকাশ করার অধিকার রাখেন। সেই অর্থে এটি অনেক মুক্ত ও স্বাধীন মাধ্যম। এ প্রসঙ্গে বলতে হয়, অনলাইন মাধ্যম হচ্ছে লেখালেখির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ। নিজের ইচ্ছামতো লেখা প্রকাশ করার স্বাধীনতা থাকে। আর স্বাধীনতা কোনো প্রকাশনাকে তরান্বিত না করে বাধা সৃষ্টি করেছে, এমন ভাবনাটা ভুল। তাই নির্দ্বিধায় বলে দেওয়া যায়, অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে যেকোনো মানুষ সৃজনশীল হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রশ্নটি যদি উল্টো করে করা হয়? ধরুন, যদি প্রশ্ন করা হয়_অনলাইন মাধ্যম লেখকদের সৃষ্টিশীলতার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কি না। এমন প্রশ্ন করা হয় অনলাইন গল্পকার সালাহ উদ্দিন শুভ্রকে। তিনি অনলাইন থেকে মূলধারার তরুণ প্রজন্মের গল্পকার হয়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, অনলাইন মাধ্যম লেখক তৈরি করার কার্যকর মাধ্যম। প্রিন্ট মাধ্যমের চেয়ে সহজে অনলাইন মাধ্যমে কোনো লেখক তাঁর পছন্দের বিষয় নিয়ে লিখতে এবং তা প্রকাশ করতে ও অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন। এ মাধ্যমের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। ফলে ওয়েব মাধ্যম মনোযোগী কাউকে সৃষ্টিশীল করে তুলতে সহায়তা করে।
সূত্র: দৈনিক কালের কণ্ঠ । টেকবিশ্ব । ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

মন্তব্য করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.