২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত দরকারি তথ্য

২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে চলবে ১২ মে থেকে ২৩ মে ২০১৯ পর্যন্ত। ভর্তির জন্য ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই থেকে।
ভর্তি সংক্রান্ত নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। নটর ডেমসহ ২-৪টি কলেজ ছাড়া আর কোথাও ভর্তি পরীক্ষা হবে না। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় বাদ দিয়ে পাওয়া ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম করে এর ভিত্তিতে ভর্তি করানো হবে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ন্যূনতম জিপিএ কত তা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা বোর্ডের অধীনে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা ও কোন বিভাগের ভর্তির জন্য কত পয়েন্ট লাগবে তা এ লিংক থেকে জানা যাবে-
http://118.67.215.246/svg/SVG_DHAKA.pdf

একজন ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে অনলাইনে কমপক্ষে পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হবে।

অনলাইনে এবং টেলিটক থেকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। www.xiclassadmission.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি অনলাইনে হলে ১৫০ টাকা, এসএমএসের মাধ্যমে হলে ১২০ টাকা। ৫ থেকে ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে।

আবেদনের পর কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত ফলাফল ও আবেদনের সময় উল্লিখিত পছন্দক্রম অনুসারে একটি কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত করা হবে।

কলেজ ভর্তির নীতিমালা-২০১৯ (৫ পৃষ্ঠা, পিডিএফ) পেতে ক্লিক করুন :
https://educationbarta.com/wp-content/uploads/2019/04/College-Admission-Rules-Bd-2019.pdf

শিক্ষার্থীদের বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে। একটি এনআইডি নম্বর ব্যবহার করে একজন শিক্ষার্থী একাধিক আবেদন করতে পারবে না।ভুয়া আবেদন ও নিশ্চায়ন বন্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী যখন অনলাইনে একটি কলেজ পছন্দ করবে, তখনই স্বয়ংক্রিয়মাধ্যমে তার মেধাক্রম জানা যাবে। এর ফলে ওই কলেজে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ কতটা তা সহজেই অনুমান করা যাবে। পাশাপাশি কলেজে বা পছন্দের বিভাগে আসন সংখ্যাও ওয়েবসাইটে দেওয়া থাকবে। আবেদনের সময় এ বিষয়গুলো খেয়াল রেখে নিজের ফলাফলের ভিত্তিতে উপযুক্ত কলেজ বাছাই করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আবেদনকারী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরো যেসব ব্যাপারে নজর দেবে কর্তৃপক্ষ, সেগুলো হলো- যদি একই সিরিয়ালের আসনের বিপরীতে সমান নম্বরপ্রাপ্ত একাধিক শিক্ষার্থী পাওয়া যায়, তাহলে গণিত, ইংরেজি, বাংলায়- কে বেশি পেয়েছে তা দেখা হবে। এতেও সমাধান না হলে বিভাগভিত্তিক বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর দেখা হবে।

কারো কারো মতে, আবেদনের সময় ৫টি কলেজ বাছাই করলে অনেকের ক্ষেত্রেই প্রথম ধাপে ভর্তির সুযোগ নাও হতে পারে, তবে ১০টি কলেজ বাছাই করলে প্রথম ধাপেই কোনো না কোনো কলেজে ভর্তির সুযোগ মিলতে পারে।

ভর্তি প্রক্রিয়ার সূচি :

প্রথম পর্যায়ে আবেদন : ১২ মে থেকে ২৩ মে ২০১৯। ফল প্রকাশ ১০ জুন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন ১৯ ও ২০ জুন। ২১ জুন ফল প্রকাশ।

তৃতীয় পর্যায়ে আবেদন ২৪ জুন। ফল প্রকাশ ২৫ জুন।

ভর্তি হতে হবে ২৭-৩০ জুন ২০১৯ তারিখের মধ্যে।

আবেদন ফি :
অনলাইনে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা মাদরাসায় আবেদন করা যাবে। এর জন্য নেয়া হবে ১৫০ টাকা।
কলেজ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়ন (রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। এর জন্য ১৯৫ টাকা নেয়া হবে।
ভর্তি বিলম্ব ফি ৫০ টাকার বদলে ১০০ টাকা দিতে হবে। পাঠ বিরতি বা ইয়ার লস শিক্ষার্থীদের ১০০ টাকার বদলে ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

কলেজে ভর্তির ফি :
নীতিমালায় একাদশ শ্রেণিতে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা, ঢাকা ছাড়া অন্য সব মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে।
তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে ৫ হাজার টাকার নেয়া যাবে না। মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • শিক্ষাবিষয়ক দরকারি তথ্য তাৎক্ষণিক পেতে আমাদের ফেইসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন : www.facebook.com/EducationBarta
  • Leave A Reply

    Your email address will not be published.

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.